শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
চিলায় ধানের শীষের পথসভা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শ্রীবরদীতে সুজনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ ও নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা আগামীকাল ভোটারদের যাতায়াত ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ১১ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি অনুমোদন মোংলায় দুর্যোগ প্রস্তুতি পরিকল্পনা প্রণয়নে ‘ফিশনেট’ প্রকল্পের যাচাইকরণ সভা অনুষ্ঠিত বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রীপুরে সড়ক অবরোধ, শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ বিএনপি’র দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন বিএনপি নেতাকে বহিষ্কার। মহাদেবপুরে শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল আজ থেকে ৪১৯ উপজেলায় ভর্তুকি মূল্যে চাল বিক্রি শুরু হচ্ছে কুবির শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের নতুন প্রভোস্ট ড. জনি আলম অধ্যাদেশ জারি : তিন ফসলি জমিতে তামাক চাষ নিষিদ্ধ, লঙ্ঘনে ১০ লাখ টাকা জরিমানা ঠাকুরগাঁওয়ে জামায়াতের আমিরের আগমন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন ঠাকুরগাঁওয়ের ৩টি আসনে ২০ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ নওগাঁয় নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার, জেলাজুড়ে পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট কুড়িগ্রামের ৪টি সংসদীয় আসনে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন গাজীপুরে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ১১৮ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার তারেক রহমান আগমন উপলক্ষে চৌদ্দগ্রামে প্রস্তুতি সভা ও আনন্দ মিছিল আগামীর বাংলাদেশ সব শ্রেণীর মানুষের অধিকার রক্ষার বাংলাদেশ : ডা. তাহের দেড়যুগের দখলমুক্তি, গরুর হাট উচ্ছেদে ফিরল শিক্ষার স্বস্তি জয়পুরহাটে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নলছিটির সুগন্ধা নদীর তীরে এশিয়ার বৃহত্তম মোহাম্মদীয়া অয়েল এ্যান্ড রাইচ মিল

মাহবুব হাসান, নলছিটি প্রতিনিধিঃ

ঝালকাঠি জেলার নলছিটিতে সুগন্ধা নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল এক সময়ের এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম মোহাম্মদীয়া অয়েল এ্যান্ড রাইচ মিল। ব্রিটিশ আমলে পাকিস্তানি ব্যবসায়ী আমিন আনোয়ার নলছিটির কল বাড়ি এলাকায় কয়েক একর জমি ক্রয় করে এই মিল গড়ে তোলেন। স্থাপনার সময় মিলটি এশিয়ার বৃহত্তম হিসেবে খ্যাতি পায়।

মিলটির কারণে নলছিটি ও ঝালকাঠিতে বাণিজ্যের এক নতুন যুগ শুরু হয়। চাল, ডাল, সুপারি, লবণ, নারিকেল ও তেতুলের জন্য অঞ্চলটি বিখ্যাত হয়ে ওঠে। ভারতের কলকাতার বড় ব্যবসায়ীরা নলছিটিতে ব্যবসা সম্প্রসারণের সঙ্গে যুক্ত হন। এই কারণে নলছিটিকে তখন ‘দ্বিতীয় কলকাতা’ বলে অভিহিত করা হতো।

বৃটিশ শাসনামলে নলছিটিতে সদর দপ্তর স্থাপন এবং ১৮৬৫ সালে পৌরসভা ঘোষণা করা হয়। ভারতীয় হিন্দু, মগ ও চীনা ব্যবসায়ীরা নলছিটিতে আসা-যাওয়া করতেন, আর ষ্টীমার ঘাটের নির্মাণে বাণিজ্যিক সুবিধা আরও বৃদ্ধি পেত।

প্রবীণদের কথায়, তিন শতাধিক তৈলের ঘানি ও অটো রাইচ মিল চালু থাকাকালে নলছিটির কয়েক মাইল পর্যন্ত মিলের কম্পন অনুভূত হতো। মিলের হুইসেল ৫০ কিলোমিটার দূর থেকেও শোনা যেত।

স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক কারণে মিলটি তার পুরোনো জৌলুশ হারাতে থাকে। মূল মালিকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব এবং সরকারের পাওনা পরিশোধে গড়িমসির কারণে অনেকেই মিলটি ত্যাগ করে চলে যান। বর্তমানে মিলটির অতীত গৌরব ইতিহাসের অংশ হিসেবে শুধু স্মৃতিতে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে।

মিলটির ইতিহাস নলছিটির অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং সামাজিক জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সাক্ষী হিসেবে এখনও স্থান করে রেখেছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

2025 © জনপদ সংবাদ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রয়োজনে যোগাযোগঃ ০১৭১২-০৬৮৯৫৩